কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬ এ ১০:০৮ AM

এক নজরে উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়, ভালুকা

কন্টেন্ট: পাতা

উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয ভালুকা, ময়মনসিংহ ১৯৮৪ সালে যাত্রা শুরু করে। অত্র উপজেলার পিছিয়েপরা এবং অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর মানব সম্পদ উন্নয়ন, দারিদ্র্য বিমোচন, কল্যাণ, উন্নয়ন ও ক্ষমতায়নের সাথে সংশ্লিষ্ট একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর হল উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয় ভালুকা। একটি কল্যাণ রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশকে পরিচয় করিয়ে দিতে উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয় ভালুকা বয়স্কভাতা, বিধবা ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা, এসিডদগ্ধ ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সহায়তা কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয় ভালুকা একইসাথে উপজেলা ব্যাপী গ্রামীণ এবং শহুরে উভয় এলাকায় সমাজের পিছিয়েপরা, অনগ্রসর অংশ, বেকার, ভূমিহীন, অনাথ, দুঃস্থ, ভবঘুরে, নিরাশ্রয়, সামাজিক, বুদ্ধিমত্তা এবং শারীরিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, দরিদ্র, অসহায় রোগী, ঝুঁকিপূর্ণ শিশুদের কল্যাণ ও উন্নয়নে বহুমাত্রিক এবং নিবিড় কার্যক্রমও বাস্তবায়ন করছে। বাংলাদেশের সংবিধানের ১৫(ঘ) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয় ভালুকা অন্যান্য সরকারী দপ্তর ও সংস্থাসমূহের সাথে সমন্বয় করে এ সকল কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। কার্যক্রমসমূহ টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি), ভিশন ২০২১ ও সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় বর্ণিত লক্ষমাত্রাসমূহ অর্জণের লক্ষ্যে গ্রহণ করা হয়েছে।

সমাজসেবা অধিদফতর সরকারের অন্যান্য জাতিগঠনমূলক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে অন্যতম। ১৯৫৫ সালে দেশে সমাজকল্যাণ কার্যক্রম শুরু হলেও ১৯৬১ সালে সমাজসেবা পরিদফতরের সৃষ্টি হয়। ষাটের দশকের সৃষ্টিকৃত পরিদফতরটিই আজ সমাজসেবা অধিদফতরে উন্নীত হয়েছে। ১৯৪৭ সালে দেশ বিভক্তির পর তৎকালীন প্রাদেশিক রাজধানী ঢাকায় বস্তি সমস্যাসহ নানা সামাজিক সমস্যার সৃষ্টি হয়। এসব সমস্যা নিরসনে জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞদের পরামর্শে Urban Community Development Board, Dhaka-এর আওতায় ১৯৫৫ সালে শহর সমাজসেবা কার্যালয় এবং সমাজকল্যাণ পরিষদের আওতায় হাসপাতাল সমাজসেবা কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়। ১৯৪৩ সালের বঙ্গীয় ভবঘুরে আইন, ১৯৪৪ সালের এতিম ও বিধবা সদন আইনের আওতায় পরিচালিত ভবঘুরে কেন্দ্র (সরকারি আশ্রয় কেন্দ্র), রাষ্ট্রীয় এতিমখানা (সরকারি শিশু পরিবার) পরিচালনার দায়িত্ব ১৯৬১ সালে গ্রহণ করে সৃষ্টি হয় সমাজকল্যাণ পরিদফতর। পরবর্তীতে সমাজসেবা কার্যক্রমের ব্যাপক সম্প্রসারণ ও বিস্তৃত্তির কারণে ১৯৭৮ সালে সরকারের একটি স্থায়ী জাতিগঠণমূলক বিভাগ হিসেবে উন্নীত হয়ে ১৯৮৪ সালে সমাজসেবা অধিদফতর হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।

সমাজ দর্শন এবং উন্নয়ন কৌশলের পরিপ্রেক্ষিতে এ বিশাল কর্মযজ্ঞে নিয়োজিত সমাজকর্মীদের উৎসাহিত করার লক্ষ্যে ১৯৯৯ সালে সমাজসেবা ভবন উদ্বোধনলগ্নে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ২ জানুয়ারিকে ‘জাতীয় সমাজসেবা দিবস’ ঘোষণা করেন। ৪ জুন ২০১২ তারিখের মন্ত্রিসভা বৈঠকে জানুয়ারি মাসের ২ তারিখকে ‘জাতীয় সমাজসেবা দিবস’ ঘোষণাপূর্বক দিবসটিকে ‘খ’ ক্যাটাগরি হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়। ইনথি বাস্তবায়ন,এমআইএস,ডিআইএস, তথ্য বাতায়ন, বাংলাদেশ ডিরেক্টরি সহ অন্যান্য অনলাইন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করার জন্য সমাজসেবা অধিদফতর ২০১৯ সালে ডিজিটাল বাংলাদেশ পদক লাভ করে।

এক নজরে উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয় ভালুকা, ময়মনসিংহ‍

প্রতিষ্ঠা ও অবস্থানঃ উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয় ভালুকা, ময়মনসিংহ ১৯৮৩ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেপ্রথম দিকে কার্যালয়ের কার্যক্রমের পরিধি সীমিত হলেও সময়ের সাথে সাথে এর কার্যক্রমের পরিধি বৃদ্ধি পায় যা এখনও চলমানউপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়, ভালুকা, ময়মনসিংহ বর্তমানে নানাবিধ সামাজিক নিরাপত্তা সংক্রান্ত কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছেবর্তমানে কর্মকর্তা হিসাবে জনাব রুবেল মন্ডলদায়িত্বপালন করছেন ভালুকা বাংলাদেশের ময়মনসিংহ জেলার অন্তর্গত একটি উপজেলা। এটি বাংলাদেশের প্রথম মডেল থানা এবং দেশের অন্যতম শিল্প নগরী। ভালুকাকে ময়মনসিংহের প্রবেশদার বলা হয়। ঢাকা থেকে ঢাকা-ময়মনসিংহ জাতীয় চারলেন মহাসড়ক পথে রাজেন্দ্রপুর সেনানিবাস (গাজীপুর) ও শ্রীপুর উপজেলার (প্রায় ৭০ কিঃমিঃ) পর ভালুকা উপজেলা অবস্থিত। উত্তরে ত্রিশাল উপজেলা, দক্ষিণে গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলা, পূর্বে গফরগাঁও উপজেলা, পশ্চিমে ফুলবাড়িয়া উপজেলা ও টাঙ্গাইলের সখিপুর উপজেলা অবস্থিত।

ভিশন মিশন

ভিশনঃ সমন্বিত ও টেকসই উন্নয়নের মাধ্যমে তারাকান্দা উপজেলার জনগণের জীবনমান উন্নয়ন।

মিশনঃ উপযুক্ত ও আয়ত্বাধীন সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার করে অংশীদারগণের সঙ্গে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে সুসংহত ও বিকাশমান সামাজিক সেবা প্রদানের মাধ্যমে বাংলাদেশের জনগণের জীবনমানের সমন্বিত সামাজিক উন্নয়ন সাধনের মাধ্যমে তারাকান্দা উপজেলার জনগণের জীবনমান উন্নয়ন এবং সামাজিক মঙ্গল সাধন।

সাংগঠনিক তথ্যাবলী

ক্রম

পদের নাম

অনুমোদিত পদের সংখ্যা

কর্মরত পদের সংখ্যা

শূণ্য পদের সংখ্যা

উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা

০১ জন

০১ জন

০০ জন

সহকারি উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা

০১ জন

০০ জন

০১ জন

ফিল্ড সুপারভাইজার

০১ জন

০১ জন

০০ জন

উচ্চমান সহকারী ও হিসাবরক্ষক

০১ জন

০০ জন

০১ জন

অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক

০১ জন

০১ জন

০০ জন

ইউনিয়ন সমাজকর্মী

০৭ জন

০৭ জন

০০ জন

কারিগরী প্রশিক্ষক

০৩ জন

০০ জন

০৩ জন

অফিস সহায়ক

০১ জন

০১ জন

০০ জন

নিরাপত্তা প্রহরী

০১ জন

০০ জন

০১ জন

১০

বার্তা বাহক

০১ জন

০০ জন

০১ জন

মোট=

১৮ জন

১১ জন

০৭ জন

উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয় ভালুকা, ময়মনসিংহ এর কার্যক্রমের বিবরন

০১. বয়স্ক ভাতা

দেশের বয়োজ্যেষ্ঠ দুস্থ ও স্বল্প উপার্জনক্ষম অথবা উপার্জনে অক্ষম বয়স্ক জনগোষ্ঠীর সামাজিক নিরাপত্তা বিধানে ও পরিবার ও সমাজে মর্যাদা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ১৯৯৭-৯৮ অর্থ বছরে ‘বয়স্কভাতা’ কর্মসূচি প্রবর্তন করা হয়। বয়স্ক ভাতা পাওয়ার জন্য পুরুষের ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন ৬৫ বছর এবং মহিলাদের ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন ৬২ বছর হতে হবে। উপকারভোগীগণকে তাদের পছন্দ অনুযায়ী মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস/এজেন্ট ব্যাংকিং/তফশীলী ব্যাংকের মাধ্যমে জিটুপি পদ্ধতিতে (গভর্মেন্ট টু পারসন) ভাতা প্রদান করা হচ্ছে।

ক্রমিক নং

ইউনিয়নের নাম/ পৌরসভার নাম

ভাতাভোগীর সংখ্যা

মন্তব্য

০১

ভালুকা পৌরসভা

৭৯৮ জন

মাসিক ৬০০/- হারে

উপজেলা বয়স্ক ভাতা বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি পদাধিকারবলে সম্মানিত চেয়ারম্যান/প্রসাশক উপজেলা পরিষদ, ভালুকা, ময়মনসিংহ

০২

১নং উথুরা ইউনিয়নপরিষদ

১০১২ জন

০৩

২নং মেদুয়ারী ইউনিয়ন পরিষদ

৯৬৫ জন

০৪

৩নং ভরাডোবা ইউনিয়নপরিষদ

৯৯৫ জন

০৫

৪নং ধীতপুর ইউনিয়ন পরিষদ

৯৫৩ জন

০৬

৫নং বিরুনিয়া ইউনিয়ন পরিষদ

৯৪৯ জন

০৭

৬নং ভালুকা ইউনিয়নপরিষদ

৯২২ জন

০৮

৭নং মল্লিকবাড়ী ইউনিয়নপরিষদ

১২৮১ জন

০৯

৮নং ডাকাতিয়া ইউনিয়ন পরিষদ

১৩৫৭ জন

১০

৯নং কাচিনা ইউনিয়নপরিষদ

১৫৩২ জন

১১

১০নং হবিরবাড়ীইউনিয়নপরিষদ

১৩৪৯ জন

১২

১১নং রাজৈ ইউনিয়নপরিষদ

১০৪১ জন

মোট

১২৮৩২ জন

০২. বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা মহিলা ভাতা

১৯৯৮-৯৯ অর্থবছরে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন সমাজসেবা অধিদপ্তরের মাধ্যমে বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা মহিলাদের ভাতা কর্মসূচি প্রবর্তন করা হয়। এ কর্মসূচির আওতায় ২০২৫-২৬ অর্থ বছরে ২৯ লক্ষ জনের জন্য জনপ্রতি মাসিক ৬৫০ টাকা হারে মোট ২২৭৭.৮৩ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে । বয়স্ক ভাতা পাওয়ার জন্য বয়স অবশ্যই ১৮ (আঠারো) বছরের ঊর্ধ্বে হতে হবে। তবে সর্বোচ্চ বয়সের বিধবা /স্বামী নিগৃহীতাকে অগ্রাধিকার প্রদান করতে হবে। উপকারভোগীগণকে তাদের পছন্দ অনুযায়ী মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস/এজেন্ট ব্যাংকিং/তফশীলী ব্যাংকের মাধ্যমে জিটুপি পদ্ধতিতে (গভর্মেন্ট টু পারসন) ভাতা প্রদান করা হচ্ছে।

ক্রম

ইউনিয়নের নাম/ পৌরসভার নাম

ভাতাভোগীর সংখ্যা

মন্তব্য

০১

ভালুকা পৌরসভা

৩২০ জন

মাসিক ৫৫০/- হারে

০২

১নং উথুরা ইউনিয়নপরিষদ

৩৬৭ জন

০৩

২নং মেদুয়ারী ইউনিয়নপরিষদ

৩৯৬ জন

০৪

৩নং ভরাডোবা ইউনিয়নপরিষদ

৪৩০ জন

০৫

৪নং ধীতপুর ইউনিয়ন পরিষদ

৩৭৭ জন

০৬

৫নং বিরুনিয়া ইউনিয়নপরিষদ

৩৭২ জন

০৭

৬নং ভালুকা ইউনিয়নপরিষদ

৩৫২ জন

০৮

৭নং মল্লিকবাড়ী ইউনিয়নপরিষদ

৪৯৮ জন

০৯

৮নং ডাকাতিয়া ইউনিয়নপরিষদ

৫২৩ জন

১০

৯নং কাচিনা ইউনিয়নপরিষদ

৫০৩ জন

১১

১০নং হবিরবাড়ী ইউনিয়নপরিষদ

৫২০ জন

১২

১১নং রাজৈ ইউনিয়নপরিষদ

৪০৩ জন

মোট

৫১৭১ জন

০৩. অসচ্ছল প্রতিবন্ধী ভাতা

প্রতিবন্ধিতা এবং এর কারণ সম্পর্কে সঠিক ধারণা না থাকার কারণে সমাজে নানা ধরনের ভুল বিশ্বাস ও প্রথা প্রচলিত রয়েছে। সরকার সামগ্রিক উন্নয়ন, অধিকার ও সুরক্ষার মাধ্যমে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের মূল স্রোতে যুক্ত করতে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। উল্লেখযোগ্য কর্মসূচির মধ্যে একটি হল প্রতিবন্ধী ভাতা কর্মসূচি।২০০৫-২০০৬ অর্থবছরে প্রতিবন্ধী ভাতা কার্যক্রম অধিকতর স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ এবং সর্বমহলে গ্রহণযোগ্য করে তোলার লক্ষ্যে বিদ্যমান বাস্তবায়ন নীতিমালা সংশোধন করে যুগোপযোগীকরণ, উপকারভোগী নির্বাচনে স্থানীয় মাননীয় সংসদ সদস্যসহ অন্যান্য জনপ্রতিনিধিদের সম্পৃক্তকরণ এবং জিটুপি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে MIS (Management Information System) নামে ডাটাবেজ প্রণয়ন করা হয়েছে। ২০২০-২১ অর্থবছর থেকে সকল উপকারভোগীগণকে তাদের পছন্দ অনুযায়ী মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস/এজেন্ট ব্যাংকিং/তফশীলী ব্যাংকের মাধ্যমে জিটুপি পদ্ধতিতে (গভর্মেন্ট টু পারসন) ভাতা প্রদান করা হচ্ছে।

ক্রমিক নং

ইউনিয়নের নাম/ পৌরসভার নাম

ভাতাভোগীর / উপকারভোগীর সংখ্যা

মন্তব্য

০১

ভালুকা পৌরসভা

৫৪৭ জন

মাসিক ৮৫০/- হারে

উপজেলা বয়স্ক ভাতা বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি পদাধিকারবলে সম্মানিত চেয়ারম্যান/প্রসাশক উপজেলা পরিষদ, ভালুকা, ময়মনসিংহ

০২

১নং উথুরা ইউনিয়নপরিষদ

৬৪৮ জন

০৩

২নং মেদুয়ারী ইউনিয়নপরিষদ

৪৮৭ জন

০৪

৩নং ভরাডোবা ইউনিয়নপরিষদ

৬৯৪ জন

০৫

৪নং ধীতপুর ইউনিয়ন পরিষদ

৫৮৪ জন

০৬

৫নং বিরুনিয়া ইউনিয়নপরিষদ

৫৪৭ জন

০৭

৬নং ভালুকা ইউনিয়নপরিষদ

৫৯৯ জন

০৮

৭নং মল্লিকবাড়ী ইউনিয়নপরিষদ

৭৫৮ জন

০৯

৮নং ডাকাতিয়া ইউনিয়নপরিষদ

৭০৮ জন

১০

৯নং কাচিনা ইউনিয়নপরিষদ

৫৯৭ জন

১১

১০নং হবিরবাড়ী ইউনিয়নপরিষদ

৮৮১ জন

১২

১১নং রাজৈ ইউনিয়নপরিষদ

৫৮১ জন

মোট

৭৬৬৮ জন

০৪. প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষা উপবৃত্তি

সামাজিক নিরাপত্তা প্রদানের সাংবিধানিক দায়িত্বের অংশ হিসেবে, সরকার সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ সমাজসেবা অধিদপ্তরের মাধ্যমে 'প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষা উপবৃত্তি কার্যক্রম' বাস্তবায়ন করছে। বাংলাদেশের সংবিধানের ১৫, ১৭, ২০ এবং ২৯ অনুচ্ছেদে অন্যান্য নাগরিকের সাথে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সমান সুযোগ এবং অধিকার প্রদান করা হয়েছে। সংবিধানের ১৫ (ঘ) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে সামাজিক নিরাপত্তার অধিকার, অর্থাৎ বেকারত্ব, অসুস্থতা বা অক্ষমতা বা বিধবাত্ব, পিতৃহীনতা বা বার্ধক্য বা অনুরূপ পরিস্থিতিতে দারিদ্র্যের ক্ষেত্রে সরকারি সহায়তা পাওয়ার অধিকার। বর্তমানে এ কর্মসূচির সকল উপকারভোগীগণকে তাদের পছন্দ অনুযায়ী মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস/এজেন্ট ব্যাংকিং/তফশীলী ব্যাংকের মাধ্যমে জিটুপি পদ্ধতিতে (গভর্মেন্ট টু পারসন) ভাতা প্রদান করা হচ্ছে।

ক্রম

কার্যক্রমের নাম

স্তরভিত্তিক উপকারভোগীর সংখ্যা

স্তরভিত্তিক মাসিক ভাতার পরিমাণ

মন্তব্য

০১

প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষা উপবৃত্তি

প্রাথমিক- ১৪৮ জন

প্রাথমিক স্তর- ৯০০/-

প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষা উপবৃত্তি বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি পদাধিকারবলে সম্মানিত চেয়ারম্যান/প্রসাশক ভালুকা, ময়মনসিংহ

মাধ্যমিক- ৭৪ জন

মাধ্যমিক স্তর- ৯৫০/-

উচ্চ মাধ্যমিক- ১৫ জন

উচ্চ মাধ্যমিক স্তর- ৯৫০/-

উচ্চতর- ৫ জন

উচ্চতর স্তর- ১৩০০/-

মোট=২৪২ জন

০৫.অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর বিশেষ ভাতা

আবেদনের জন্য ৫০ বছর বা তদুর্ধ্ব বয়সের অক্ষম ও অসচ্ছল জেলে, সন্যাসী, ঋষি, বেহারা, নাপিত, ধোপা, হাজাম, নিকারী, পাটনী, কাওড়া, তেলী, পাটিকর, সুইপার, মেথর বা ধাঙ্গর, ডোমার, ডোম, রাউত, ও নিম্নশ্রেণীর পেশার জনগোষ্ঠী হতে হবে। বর্তমানে এ কর্মসূচির সকল উপকারভোগীগণকে তাদের পছন্দ অনুযায়ী মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস/এজেন্ট ব্যাংকিং/তফশীলী ব্যাংকের মাধ্যমে জিটুপি পদ্ধতিতে (গভর্মেন্ট টু পারসন) ভাতা প্রদান করা হচ্ছে।

ক্রমিক নং

ইউনিয়নের নাম/ পৌরসভার নাম

ভাতাভোগীর সংখ্যা

মন্তব্য

০১

ভালুকা পৌরসভা

০৭ জন

মাসিক ৫০০/- হারে

উপজেলা বয়স্ক ভাতা বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি পদাধিকারবলে সম্মানিত চেয়ারম্যান/প্রসাশক উপজেলা পরিষদ, ভালুকা, ময়মনসিংহ

০২

১নং উথুরা ইউনিয়নপরিষদ

১৩ জন

০৩

২নং মেদুয়ারী ইউনিয়ন পরিষদ

১০ জন

০৪

৩নং ভরাডোবা ইউনিয়নপরিষদ

১২ জন

০৫

৪নং ধীতপুর ইউনিয়ন পরিষদ

০৫ জন

০৬

৫নং বিরুনিয়া ইউনিয়ন পরিষদ

০৩ জন

০৭

৬নং ভালুকা ইউনিয়নপরিষদ

০৮ জন

০৮

৭নং মল্লিকবাড়ী ইউনিয়নপরিষদ

০৩ জন

০৯

৮নং ডাকাতিয়া ইউনিয়ন পরিষদ

০৩ জন

১০

৯নং কাচিনা ইউনিয়নপরিষদ

০১ জন

১১

১০নং হবিরবাড়ীইউনিয়নপরিষদ

১০ জন

১২

১১নং রাজৈ ইউনিয়নপরিষদ

০৫ জন

মোট

৮০ জন

০৬.অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষা উপবৃত্তি

অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের মাসিক হারে প্রাথমিক স্তর, মাধ্যমিক স্তর, উচ্চমাধ্যমিক স্তর এবং উচ্চতর স্তরে শিক্ষা উপবৃত্তি প্রদান করা হচ্ছে। এ কর্মসূচির সকল উপকারভোগীগণকে তাদের পছন্দ অনুযায়ী মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস/এজেন্ট ব্যাংকিং/তফশীলী ব্যাংকের মাধ্যমে জিটুপি পদ্ধতিতে (গভর্মেন্ট টু পারসন) ভাতা প্রদান করা হচ্ছে।

ক্রমিক নং

কার্যক্রমের নাম

স্তরভিত্তিক উপকারভোগীর সংখ্যা

স্তরভিত্তিক মাসিক ভাতার পরিমাণ

মন্তব্য

০১

অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষা উপবৃত্তি

প্রাথমিক- ৪১ জন

প্রাথমিক স্তর- ৭০০/-

প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষা উপবৃত্তি বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি পদাধিকারবলে সম্মানিত চেয়ারম্যান/প্রসাশক ভালুকা, ময়মনসিংহ

মাধ্যমিক- ১১ জন

মাধ্যমিক স্তর- ৮০০/--

উচ্চ মাধ্যমিক-০৩ জন

উচ্চ মাধ্যমিক স্তর- ৮০০/-

উচ্চতর- ০২ জন

উচ্চতর স্তর- ৯০০/-

মোট=57 জন

০৭. হিজড়া জনগোষ্ঠীর বিশেষ ভাতাঃ

হিজড়া সম্প্রদায় বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার একটি ক্ষুদ্র অংশ। আবহমানকাল থেকেই এ জনগোষ্ঠী অবহেলিত ও অনগ্রসর। এ লক্ষ্যে এ জনগোষ্ঠীর মৌলিক অধিকার সংরক্ষণ, তাদের জন্য সামাজিক ন্যায় বিচার নিশ্চিতকরণ, তাদের পারিবারিক, আর্থসামাজিক, শিক্ষা ব্যবস্থা, বাসস্থান, জীবনমান উন্নয়ন এবং সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ সর্বোপরি তাদেরকে সমাজের মূল স্রোতধারায় এনে দেশের সার্বিক উন্নয়নে তাদের সম্পৃক্তকরণের জন্য সামাজিক নিরাপত্তা কার্যক্রমের আওতায় ২০১২-১৩ অর্থবছরে ‘হিজড়া জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন কর্মসূচি’ বাস্তবায়ন শুরু করা হয়। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর জরিপমতে হিজড়াদের সংখ্যা ১২৬২৯ জন। এ কর্মসূচির সকল উপকারভোগীগণকে তাদের পছন্দ অনুযায়ী মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস/এজেন্ট ব্যাংকিং/তফশীলী ব্যাংকের মাধ্যমে জিটুপি পদ্ধতিতে (গভর্মেন্ট টু পারসন) ভাতা প্রদান করা হচ্ছে।

ক্রমিক নং

ইউনিয়নের নাম/ পৌরসভার নাম

ভাতাভোগীর সংখ্যা

মন্তব্য

০১

ভালুকা পৌরসভা

০৩ জন

মাসিক ৬০০/- হারে

উপজেলা বয়স্ক ভাতা বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি পদাধিকারবলে সম্মানিত চেয়ারম্যান/প্রসাশক উপজেলা পরিষদ, ভালুকা, ময়মনসিংহ

০২

১নং উথুরা ইউনিয়নপরিষদ

০১ জন

০৩

২নং মেদুয়ারী ইউনিয়ন পরিষদ

০২ জন

০৪

৩নং ভরাডোবা ইউনিয়নপরিষদ

১২ জন

০৫

৪নং ধীতপুর ইউনিয়ন পরিষদ

০২ জন

০৬

৫নং বিরুনিয়া ইউনিয়ন পরিষদ

০২ জন

০৭

৬নং ভালুকা ইউনিয়নপরিষদ

০২ জন

০৮

৭নং মল্লিকবাড়ী ইউনিয়নপরিষদ

০১ জন

০৯

৮নং ডাকাতিয়া ইউনিয়ন পরিষদ

০০ জন

১০

৯নং কাচিনা ইউনিয়নপরিষদ

০২ জন

১১

১০নং হবিরবাড়ীইউনিয়নপরিষদ

১১ জন

১২

১১নং রাজৈ ইউনিয়নপরিষদ

০১ জন

মোট

৩৯ জন

০৮. বেসরকারী এতিমখানায় ক্যাপিটেশন গ্র্যান্ট

দেশে দরিদ্র পরিবারের পিতৃহীন, মাতৃহীন ও পিতৃ-মাতৃহীন এতিম ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুর লালন পালন ও উন্নয়নের লক্ষ্যে বেসরকারি পর্যায়ে স্থাপিত এতিমখানা/সংস্থা/আশ্রমসমূহ স্থানীয় সম্পদ আহরণ এবং বিভিন্ন ধরণের দান-অনুদান সংগ্রহের মাধ্যমে পরিচালিত হয়ে আসছে। বেসরকারি এতিমখানাগুলো সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য সমাজসেবা অধিদফতর হতে সহযোগিতা প্রদান করা হয়। বেসরকারিভাবে এতিমখানাসমূহ প্রথমতঃ স্বেচ্ছাসেবী সমাজকল্যাণ সংস্থাসমূহ (নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাদেশ ১৯৬১ অনুযায়ী নিবন্ধন প্রদান এবং পরবর্তীতে নিবন্ধন প্রাপ্ত বেসরকারি এতিমখানাসমূহের শিশুদের প্রতিপালন, চিকিৎসা এবং শিক্ষা প্রদানের জন্য আর্থিক সহায়তা করা হয় যা ক্যাপিটেশন গ্র্যান্ট নামে পরিচিত।

ক্রমিক নং

ইউনিয়নের নাম

ক্যাপিটেশন গ্র্যান্ট প্রাপ্ত এতিমখানার নাম

ক্যাপিটেশন গ্র্যান্ট প্রাপ্ত নিবাসির সংখ্যা

মোট নিবাসির সংখ্যা

প্রতি অর্থবছর প্রাপ্ত বরাদ্দ

০১

হবিরবাড়ী ইউনিয়ন

হবিরবাড়ী মুসলিম এতিমখানা

৩৮ জন

১৫৩ জন

৯১২০০০/-

০২

ডাকাতিয়া ইউনিয়ন

হাজী ছালেহা আমজাদ এতিমখান

৩৯ জন

১০৫ জন

৯৩৬০০০/-

মোট

৭২ জন

২৫৮ জন

১৮৪৮০০০/-

  • জনপ্রতি প্রতিমাসে ২০০০/- করে বরাদ্দ প্রদান করা হয়

০৯. সেচ্ছাসেবী সংস্থা বিষয়ক কর্মসূচিঃ

সমাজসেবা অধিদফতর থেকে স্বেচ্ছাসেবী সমাজকল্যাণ সংস্থাসমূহ (নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাদেশ, ১৯৬১ ও বিধি, ১৯৬২ এর আওতায় স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ও প্রতিষ্ঠান নিবন্ধন প্রদান করা হয়ে থাকে। এ অধ্যাদেশে নিবন্ধন গ্রহণকারী সংস্থাগুলো ১৫টি বিভিন্ন ধরনের সামাজিক কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য নিবন্ধন নিয়ে থাকে। কার্যক্রমসমূহ হলো, শিশু কল্যাণ, যুব কল্যাণ, নারী কল্যাণ, শারীরিক ও মানসিকভাবে অসমর্থ ব্যক্তিদের কল্যাণ, পরিবার পরিকল্পনা, সমাজবিরোধী কার্যকলাপ হতে জনগণকে বিরত রাখা, সামাজিক শিক্ষা, বয়স্ক শিক্ষা, কারামুক্ত কয়েদীদের কল্যাণ ও পুনর্বাসন, কিশোর অপরাধীদের কল্যাণ, ভিক্ষুক ও দুস্থদের কল্যাণ, দরিদ্র রোগীদের কল্যাণ ও পুনর্বাসন, বৃদ্ধ ও দৈহিকভাবে অসমর্থ ব্যক্তিদের কল্যাণ, সমাজকল্যাণকার্যে প্রশিক্ষণ এবং সমাজকল্যাণ সংস্থাসমূহের সমন্বয় সাধন।

সমাজসেবা অধিদফতরের ৬৪ জেলা থেকে এ পর্যন্ত ৭০০৯৯ টি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাকে নিবন্ধন প্রদান করা হয়েছে।

ক্রমিক নং

সেচ্ছাসেবী সংস্থার মোট সংখ্যা

সক্রিয় সেচ্ছাসেবী সংস্থা

নিস্ক্রীয় সেচ্ছাসেবী সংস্থা

অনুদানের পরিমান

০১

১৫৪ টি

৮৮ টি

৬৪ টি

প্রতি বছর ২৫ থেকে৪০ টি সংস্থাকে ১৫০০০/- থেকে৪০০০০/- করে আর্থিক অনুদান প্রদানকরা হয় এবং সংস্থারসদস্যদের জন্য ঢাকায় প্রশিক্ষনেরব্যবস্থা করা হয়

১০.হাসপাতাল সমাজসেবা/রোগীকল্যাণ সমিতিঃ

বাংলাদেশে সর্বপ্রথম ১৯৫৮ সালে তদানীন্তন পূর্ব পাকিস্তান ন্যাশনাল কাউন্সিল অব সোস্যাল ওয়েলফেয়ার এর উদ্যোগে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ২ (দুই) জন চিকিৎসা সমাজকর্মী নিয়োগ করা হয়। এ কর্মসূচি বিশেষ ফলপ্রসূ হওয়ায় ১৯৬১ সালে সমাজকল্যাণ পরিদপ্তর প্রতিষ্ঠিত হবার পর চট্টগ্রাম ও রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ঢাকাস্থ স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও বক্ষব্যাধি হাসপাতালে এ প্রকল্প সম্প্রসারণ করা হয়। এভাবে মোট ৩৮ জন চিকিৎসা সমাজকর্মী নিযুক্ত হন। অতঃপর তৃতীয় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনাকালে দেশের ১২টি হাসপাতালে ১২টি ইউনিট এবং পরবর্তীতে ১৯৯১ সালে ঢাকা মহানগরীতে ২টি, খুলনা শহরে ১টি ও নতুন জেলা সদরে ৩৩টি সর্বমোট ৩৬টি হাসপাতালে উন্নয়ন খাতে ৩৬টি ইউনিট চালু করা হয়। কার্যক্রম ফলপ্রসূ হওয়ায় ১৯৯৪ সালে আরও ৮টি হাসপাতালে ইউনিট চালু করা হয়। বর্তমানে ঢাকা মহানগরীসহ ৬৪টি জেলায় জেলা পর্যায়ের সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে মোট ১১৩ টি ইউনিট এবং উপজেলা পর্যায়ে ৪২০ টি উপজেলা হেল্থ কমপ্লেক্সে এ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে, যার মোট সংখ্যা-৫৩৩টি। এই কার্যক্রমটি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সমাজসেবা অধিদফতরাধীন প্রতিটি হাসপাতাল সমাজসেবা কার্যালয়ে স্বেচ্ছাসেবী সমাজকল্যাণ সংস্থাসমূহ (নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাদেশ, ১৯৬১ এর আওতায় নিবন্ধিত ‘রোগীকল্যাণ সমিতি’ রয়েছে।

ক্রম

রোগীকল্যাণ সমিতির নাম

চলতি অর্থবছরে মোট ব্যয় ও উপকারভোগী

মোট সহায়াকৃত রোগীর সংখ্যা

মন্তব্য

উপকারভোগী রোগীর সংখ্যা (জন)

অর্থের পরিমাণ (টাকা)

০১

রোগীকল্যাণ সমিতি ভালুকা, ময়মনসিংহ

২২৪

১৮৩৬২৪/-

৯৫৬

১১. পল্লী সমাজসেবা কার্যক্রম

সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়াধীন সমাজসেবা অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়িত পল্লী সমাজসেবা (আরএসএস) কার্যক্রম দেশের পল্লী অঞ্চলে বসবাসরত দুঃস্থ, অসহায়, অবহেলিত, অনগ্রসর ও পশ্চাৎপদ জনগোষ্ঠীর দারিদ্র্য বিমোচনের লক্ষ্যে পরিচালিত হচ্ছে। পল্লী সমাজসেবা (আরএসএস) কার্যক্রমের সুদমুক্ত ক্ষুদ্রঋণ বাংলাদেশের ক্ষুদ্রঋণ/দারিদ্র্য বিমোচনের সূতিকাগার এবং পথিকৃৎ হিসেবে দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠির অর্থনৈতিক মুক্তির ক্ষেত্রে সূচনা করে এক নতুন ও বর্ণিল ইতিহাস। পল্লী সমাজসেবা (আরএসএস) কার্যক্রমের মাধ্যমে বাংলাদেশে সর্বপ্রথম সুদমুক্ত ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রমের সূত্রপাত। এ কর্মসূচি বাংলাদেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অর্থনৈতিক মুক্তির ক্ষেত্রে সূচনা করে এক নতুন ও যুগান্তকারী ইতিহাস। সমাজসেবা অধিদপ্তর ১৯৭৪ সালে ‘পল্লী সমাজসেবা কার্যক্রম’ শুরু করে।

১২. পল্লী মাতৃকেন্দ্র (আরএমসি) কার্যক্রম

বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার অর্ধেক নারী, যাদের অধিকাংশই পল্লী অঞ্চলে বসবাসকারী সুবিধাবঞ্চিত। এ সকল নারীদের ক্ষমতায়ন, অর্থনৈতিক মুক্তি তথা আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্যে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়াধীন সমাজসেবা অধিদপ্তর ১৯৭৫ খ্রিস্টাব্দ হতে পল্লী মাতৃকেন্দ্র কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে আসছে। নারীর সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিতকরণের মাধ্যমে অনগ্রসর, বঞ্চিত, দরিদ্র ও সমস্যাগ্রস্ত নারীদের সংগঠিত করে পরিবার ভিত্তিক দারিদ্র্যতা হ্রাস করা হচ্ছে। এ কার্যক্রমের মাধ্যমে উপজেলা পর্যায়ের গ্রাম এলাকার লক্ষ্যভুক্ত নিম্ন আয়ের অনগ্রসর দরিদ্র নারীদের সংগঠিত করে তাদের নিজস্ব পুঁজি গঠন করা হয়। শুধুমাত্র জন্মদানে সক্ষম নারীদের অংশগ্রহণে পল্লী মাতৃকেন্দ্র কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

বর্তমানে দেশের ৬৪ জেলার ৪৯৫ টি উপজেলায় এ কর্মসূচি চালু রয়েছে।

১৩. দগ্ধ ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের পুনর্বাসন ও ঋণ কার্যক্রম

এ কার্যক্রম বাস্তবায়নে সমাজসেবা অফিসারগণ দগ্ধ ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের পরিবারের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে ভিকটিমের চিকিৎসা বিষয়ে পরামর্শ, রোগীকে সাহস যোগান ও সুস্থ হওয়ার আশ্বাস দিয়ে মানসিক ভারসাম্য রক্ষা ও দুশ্চিন্তা মুক্ত রাখার ব্যাপারে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন। সমাজসেবা অফিসার ও ইউনিয়ন সমাজকর্মী/ পৌর সমাজকরমীগণ দগ্ধ ব্যক্তিকে জরুরী ভিত্তিতে স্থানীয় কোন হাসপাতালে ভর্তি ও চিকিৎসা বিষয়ে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহায়তা প্রদান করেন। দগ্ধ ও প্রতিবন্ধী হওয়ার কারণগুলো সম্পর্কে জনগণকে সচেতন ও সতর্ক করা, এসিড নিক্ষেপ বা অন্যান্য কারণে দগ্ধজনিত ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের দ্রুত চিকিৎসা নিশ্চিত করার জন্য দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ, ক্ষতিগ্রস্তদের দক্ষতামূলক প্রশিক্ষণ গ্রহণে উৎসাহিত করা এবং দারিদ্র বিমোচনের লক্ষ্যে কর্মসংস্থানমূলক কাজে আর্থিক ঋণ সহায়তা দিয়ে এ সকল অসহায় লোকদের উন্নয়ন স্রোতধারার সাথে সম্পৃক্ত করে জাতীয় উন্নয়নে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা এ কার্যক্রমের মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য।

মাঠপর্যায়ে পরিবার জরিপের মাধ্যমে দারিদ্র্য সীমার নিচে বসবাসরত (যে পরিবারের সদস্যদের মাথাপিছু বার্ষিক গড় আয় ১,০০,০০০/-(এক লক্ষ) টাকার উর্ধে নয়) দগ্ধ ও প্রতিবন্ধীদের চিহ্নিত করা হয়। অতঃপর নির্ধারিত স্কীমের বিপরীতে জন প্রতি ৫,০০০/- টাকা হতে ৫০,০০০/- টাকা পর্যন্ত ঋণ প্রদান করা হয়। ঋণ প্রদানের ২ মাস পর হতে ৫% সার্ভিস চার্জসহ সমান ২০ কিস্তিতে ঋণের টাকা আদায় করা হয়। কার্যক্রম বাস্তবায়নে জাতীয় পর্যায়ে ১৯ সদস্যের ‘জাতীয় পরিচালনা (স্টিয়ারিং) কমিটি’, জেলা পর্যায়ে ১৩ সদস্যের ‘জেলা পরিচালনা (স্টিয়ারিং) কমিটি’ উপজেলা পর্যায়ে ১১ সদস্যের ‘উপজেলা কার্যক্রম বাস্তবায়ন কমিটি’ এবং শহর ও মহানগর এলাকার জন্য শহর সমাজসেবা কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য গঠিত ‘ক্ষুদ্রঋণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন কমিটি’ কার্যক্রম বাস্তবায়নে সহযোগিতা ও পরামর্শ প্রদান করে থাকে।

ক্রম

খাতের নাম

বিগত মাস পর্যন্ত মোট বরাদ্দ (টাকা)

বিগত মাস পর্যন্ত মোট বিনিয়োগ (টাকা)

আদায়ের হার

০১

পল্লী সমাজসেবা (আরএসএস) কার্যক্রম

১৩৯৮৩০০০

১৩৯৮৩০০০

৮৭%

০২

পল্লী মাতৃকেন্দ্র (আরএমসি) কার্যক্রম

৩৩৭৫২০০

৩৩৭৫২০০

৮৯%

০৩

দগ্ধ ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের পুনর্বাসন কার্যক্রম

১৯১৫০০০

১৯১৫০০০

৭৭%

১৪. প্রতিবন্ধী শনাক্তকরণ জরিপ

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে সকল নাগরিকের সমঅধিকার, মানবসত্ত্বার মর্যাদা, মৌলিক মানবাধিকার ও সামাজিক সাম্য প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়েছে। প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার সুরক্ষা এবং তাদের কল্যাণ ও উন্নয়নে প্রথম মেয়াদে(১৯৯৬-২০০১) প্রতিবন্ধী কল্যাণ আইন ২০০১ সংসদে পাশ করেন। তাছাড়া বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীর অধিকার সংক্রান্ত জাতিসংঘ সনদ Convention on the Rights of Persons with Disabilities (UNCRPD)- ২০০৭ সালের ৯ মে স্বাক্ষর এবং ৩০ নভেম্বর অনুসমর্থন করে। প্রতিবন্ধিতা বিষয়ক আন্তর্জাতিক দলিল UNCRPD এর আলোকে ২০০১ সালে প্রণীত প্রতিবন্ধিী কল্যাণ আইন যুগোপযোগী করে প্রতিবন্ধী ব্যক্তির অধিকার ও সুরক্ষা আইন ২০১৩ এবং ৩য় মেয়াদে(২০১৪-২০১৯) প্রতিবন্ধী ব্যক্তির অধিকার ও সুরক্ষা বিধিমালা-২০১৫ প্রণয়ন করা হয়েছে। প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সাংবিধানিক অঙ্গীকার বাস্তবায়ন এবং আন্তর্জাতিক প্রতিশ্রুতি পূরণে যে কোন কর্মসূচি গ্রহণ কিংবা রাষ্ট্রীয় সুবিধা প্রদান করতে হলে প্রয়োজন সঠিকভাবে শনাক্তকরণ ও প্রয়োজনীয় তথ্যসম্বলিত সয়ংসম্পূর্ণ তথ্যভান্ডার।প্রতিবন্ধিতা শনাক্তকরণ ও নিবন্ধন একটি চলমান কার্যক্রম। যে সকল প্রতিবন্ধি ব্যক্তি এখনো নিবন্ধিত হননি, তারা www.dis.gov.bd হতে ফরম ডাউনলোড করে কিংবা সংশ্লিষ্ট সমাজসেবা কার্যালয় হতে ফরম সংগ্রহ করে তা যথাযথভাবে পূরণ এবং সংশ্লিষ্ট ডাক্তারের প্রত্যয়নসহ স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বরাবর জমা দিয়ে পরিচয়পত্র গ্রহণ করা যেতে পারে।

ক্রম

জরিপকৃত প্রতিবন্ধী

ডাক্তার কর্তৃক সনাক্তকৃত প্রতিবন্ধী

ডাটাবেইজে অন্তর্ভুক্তির সংখ্যা

পরিচয়পত্র প্রাপ্ত প্রতিবন্ধীর সংখ্যা

মন্তব্য

০১

৯২১৩ জন

৮৭৬১ জন

৬৯৫১ জন

৬৯৫১ জন

এটি একটি চলমানকার্যক্রম

১৫. ক্যান্সার, কিডনী, লিভার সিরোসিস, স্ট্রোকে প্যারালাইজড, জন্মগত হৃদরোগ এবং থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত রোগীদের আর্থিক সহায়তা কর্মসূচিঃ

প্রতিবছর দেশে প্রায় ৩ লক্ষ লোক এ সমস্ত রোগে মৃত্যুবরণ করে এবং ৩ লক্ষাধিক লোক ক্যান্সার, কিডনি , লিভার সিরোসিস, স্ট্রোকে প্যারালাইজড, জন্মগত হৃদরোগ ও থ্যালাসেমিয়া রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। অর্থের অভাবে এসব রোগে আক্রান্ত রোগীরা যেমনি ধুঁকে ধুঁকে মারা যায়, তেমনি তার পরিবার চিকিৎসার ব্যয় বহন করে নিঃস্ব হয়ে পড়ে। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় সমাজসেবা অধিদফতরের মাধ্যমে এ সকল অসহায় ক্যান্সার, কিডনি এবং লিভার সিরোসিস রোগে আক্রান্ত গরীব রোগীদেরকে এককালীন ৫০,০০০ (পঞ্চাশ হাজার) টাকা আর্থিক সহায়তা প্রদান করার লক্ষ্যে সামাজিক নিরাপত্তা কার্যক্রমের আওতায় এ কর্মসূচিটি বাস্তবায়িত হচ্ছে।

আর্থিক সহায়তা প্রাপ্তির যোগ্যতা ও শর্তাবলী:

১. ক্যান্সার, কিডনি এবং লিভার সিরোসিস, স্ট্রোকে প্যারালাইজড, জন্মগত হৃদরোগ এবং থ্যালাসেমিয়া রোগে আক্রান্ত রোগীকে অবশ্যই রেজিস্টার্ড চিকিৎসক কর্তৃক প্রত্যয়িত হতে হবে;

২. সংশ্লিষ্ট রোগের বিষয়ে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের ব্যবস্থাপত্র ও টেস্ট রিপোর্ট থাকতে হবে;

যেমন-ক্যান্সারের ক্ষেত্রে Biopsy বা অন্যান্য টেস্ট রিপোর্ট থাকতে হবে এবং কিডনি রোগের ক্ষেত্রে; Acute Renal Failure অথবা Chronic Renal Failure এ আক্রান্ত ডায়ালাইসিস সেবা নিচ্ছে এমন রোগীদেরকে বিবেচনা করতে হবে। তবে;যে সকল এলাকায় ডায়ালাইসিস সেবা নেয়ার সুযোগ নেই, সেখানে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক কর্তৃক রোগের স্বপক্ষে প্রত্যয়ন গ্রহণ সাপেক্ষে এ সাহায্য প্রদান করা যাবে।

৩. জাতীয় পরিচয় পত্র/জন্ম সনদ (১ম শ্রেণীর গেজেটেড অফিসার কর্তৃক সত্যায়িত ফটোকপি) থাকতে হবে;

৪. বাছাই কমিটি কর্তৃক নির্বাচিত হতে হবে।

ক্রম

চলতি অর্থবছরে এ পযর্ন্ত মোট আবেদনের সংখ্যা

চলতি অর্থবছরে মোট বরাদ্দ

অর্থ বিতরণের হার

(%)

মন্তব্য

উপকারভোগীর আবেদনের সংখ্যা (জন)

অর্থের পরিমাণ (টাকা)

উপকারভোগীর সংখ্যা (জন)

অর্থের পরিমাণ (টাকা)

০১

২২৪ টি

-

৫৫ জন

২৭৫০০০০/-

১০০%-

অনলাইন আবেদন চলমান

১৬. ভিক্ষাবৃত্তিতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠীর পুনর্বাসন ও বিকল্প কর্মসংস্থান শীর্ষক কর্মসূচিঃ

প্রাচীন কাল থেকেই মানব সমাজে ভিক্ষাবৃত্তি চলে আসছে। উপমহাদেশেও এর ইতিহাস দীর্ঘ দিনের। বৃটিশ ও পাকিস্তান আমলের শোষন, বঞ্চনা এবং নদী ভাঙ্গন, দারিদ্র্য, রোগ-ব্যাধি, অশিক্ষা ইত্যাদি কারণে ভিক্ষাবৃত্তির ব্যাপক বিস্তৃতি ঘটে। বর্তমান সময়ে কিছু মানুষের কর্ম বিমুখতা এবং একদল স্বার্থান্বেষী মহলের অর্থ উপার্জনের হাতিয়ার হিসেবে ভিক্ষাবৃত্তির ব্যাপক প্রসার ঘটেছে। ভিক্ষাবৃত্তি একটি সামাজিক ব্যাধি। এটি স্বীকৃত কোন পেশা নয়। বর্তমানে বাংলাদেশের সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন ঘটেছে। স্বল্পোন্নত দেশের অবস্থান থেকে উন্নয়নশীল দেশের তালিকায় উত্তরণ ঘটেছে। ভিক্ষাবৃত্তির লজ্জা থেকে দেশকে মুক্ত করার সময় এসেছে।

দেশে দারিদ্র্য নিরসনে সরকারের অঙ্গীকার বাস্তবায়ন এবং ভিক্ষাবৃত্তির মত অমর্যাদাকর পেশা থেকে মানুষকে নিবৃত করার লক্ষ্যে ভিক্ষাবৃত্তিতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠীর পুনর্বাসন ও বিকল্প কর্মসংস্থানের জন্য সরকারের রাজস্ব খাতের অর্থায়নে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় ‘‘ভিক্ষাবৃত্তিতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠীর পুনর্বাসন ও বিকল্প কর্মসংস্থান’’ শীর্ষক কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। আগস্ট/২০১০ খ্রিঃ হতে কর্মসূচি’র কার্যক্রম শুরু হয়। ২০১০ সাল হতে ভিক্ষুক পুনর্বাসন কার্যক্রম শুরু হলেও তা তেমন ব্যাপকতা পায়নি। বর্তমান জনবান্ধব সরকার ভিক্ষাবৃত্তির মত সামাজিক ব্যধিকে চিরতরে নির্মূলের বিষয়ে অত্যন্ত আন্তরিক।

ক্রমিক নং

ইউনিয়নের নাম/ পৌরসভার নাম

মোট জরিপকৃত ভিক্ষুক সংখ্যা

পুনর্বাসন ও বিকল্প কর্মসংস্থানের সংখ্যা

মোট প্রাপ্ত বরাদ্দ

মন্তব্য

০১

ভালুকা পৌরসভা

১১১ জন

সকল ইউনিয়ন মিলে

১৫ জন

৯০০০০০/-

০২

১নং উথুরা ইউনিয়নপরিষদ

১৮ জন

০৩

২নং মেদুয়ারী ইউনিয়ন পরিষদ

৩৮ জন

০৪

৩নং ভরাডোবা ইউনিয়নপরিষদ

৫৫ জন

০৫

৪নং ধীতপুর ইউনিয়ন পরিষদ

৬১ জন

০৬

৫নং বিরুনিয়া ইউনিয়ন পরিষদ

৪৭ জন

০৭

৬নং ভালুকা ইউনিয়নপরিষদ

৩৪ জন

০৮

৭নং মল্লিকবাড়ী ইউনিয়নপরিষদ

৪৪ জন

০৯

৮নং ডাকাতিয়া ইউনিয়ন পরিষদ

৬১ জন

১০

৯নং কাচিনা ইউনিয়নপরিষদ

৯৪ জন

১১

১০ নং রাজৈ ইউনিয়ন পরিষদ

১০২ জন

মোট

৬৬৫ জন

১৭. শিশু সুরক্ষামূলক কর্মসূচিঃ

অপরাধের দায়ে দোষী সাব্যস্ত কোন ব্যক্তি এবং আইনের সাথে সংঘর্ষে আসা কোন শিশুকে কারাগারে না রেখে বিজ্ঞ আদালতের আদেশে শর্ত সাপেক্ষে প্রবেশন অফিসারের তত্ত্বাবধানে তার পরিবার ও সামাজিক পরিবেশে রেখে কৃত অপরাধের সংশোধন ও তাকে সামাজিকভাবে একীভূতকরণের সুযোগ দেয়ার প্রক্রিয়া হচ্ছে ‘প্রবেশন’। এটি একটি অপ্রাতিষ্ঠানিক ও সামাজিক সংশোধনীমূলক কার্যক্রম। এটি অপরাধীর বিশৃঙ্খল ও বেআইনি আচরণ সংশোধনের জন্য একটি সুনিয়ন্ত্রিত কর্মপদ্ধতি। এখানে পুনঃঅপরাধ রোধ ও অপরাধীকে একজন আইন মান্যকারী নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠার জন্য সহায়তা করা হয়।

‘প্রবেশন আদেশ’ বলতে প্রবেশন অব অফেন্ডার্স অর্ডিনেন্স, ১৯৬০ (এ্যাক্ট ১৯৬৪) এর ধারা ৫ অথবা শিশু আইন, ২০১৩ (সংশোধিত ২০১৮) এর ধারা ৩৪ উপধারা (৬) এর অধীন কোনো ‘প্রবেশন আদেশ’কে বোঝাবে। বিজ্ঞ আদালত অপরাধের প্রকৃতি, অপরাধীর চরিত্র, ঘটনার পারিপার্শ্বিকতা এবং অপরাধ সংঘটনে তার সংশ্লিষ্টতা বিবেচনা করে প্রবেশন আদেশ প্রদান করে থাকেন।

প্রবেশন অব অফেন্ডার্স অর্ডিনেন্স, ১৯৬০ (এ্যাক্ট ১৯৬৪) এর আলোকে প্রদেয় সেবা:

  • প্রবেশন আদেশ অনুযায়ী প্রবেশনারকে আদেশে বর্ণিত শর্তাবলী সম্পর্কে অবগত করা।

  • আদেশে বর্ণিত শর্তাবলী পালনে প্রবেশনার ও তার পরিবারের সদস্যদের উদ্বুদ্ধকরণ ও প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান।

  • নিয়মিত মোটিভেশন, কাউন্সেলিং ও ফলোআপের মাধ্যমে অপরাধ সম্পর্কে প্রবেশনারকে সচেতন করা এবং চারিত্রিক সংশোধনের মাধ্যমে পুনঃঅপরাধ রোধে সহায়তা করা।

  • প্রবেশনারকে শৃঙ্খল জীবনযাপন এবং আইন মান্যকারী নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে সহায়তা করা।

  • সংশোধনের পর প্রবেশনারকে উৎপাদনশীল ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার পদক্ষেপ গ্রহণ।

  • প্রবেশন মেয়াদ শেষে অব্যাহতি প্রাপ্ত প্রবেশনারকে সমাজে পুনঃএকীকরণের লক্ষ্যে পুনর্বাসনমূলক কার্যক্রমের আওতায় আনা ও নিয়মিত ফলোআপ করা।

শিশু আইন ২০১৩ (সংশোধিত ২০১৮) এর আলোকে প্রদেয় সেবা

  • আইনের সাথে সংঘাতে জড়িত শিশুদের জন্য থানা কিংবা শিশু আদালত থেকে অনানুষ্ঠানিক ও অপ্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থাসমূহ যেমন: থানা থেকে মুক্তি, বিকল্প পন্থা, জামিন প্রদানে আইন অনুযায়ী কিংবা আদালতের নির্দেশে ব্যবস্থা গ্রহণ;

  • আইনের সংস্পর্শে আসা শিশু বা সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য বিকল্প পরিচর্যা ও সেবা;

  • প্রাতিষ্ঠানিক পরিচর্যা ব্যবস্থাকে সর্বশেষ ব্যবস্থা হিসেবে বিবেচনা করা এবং তা স্বল্পতম সময়ের জন্য।

আফটারকেয়ার সার্ভিস

কারাগার থেকে মুক্ত ব্যক্তি, প্রবেশনে মুক্তি ও অব্যাহতিপ্রাপ্ত ব্যক্তি এবং কারাগারে আটক সাজাপ্রাপ্ত নারীদের সমাজে পুনঃএকীকরণের লক্ষ্যে ‘অপরাধী সংশোধন ও পুনর্বাসন সমিতি’র মাধ্যমে আফটার কেয়ার কার্যক্রম পরিচালিত হয়

ক্রম

কর্মসূচির নাম

উদেশ্য

মন্তব্য

০১

প্রবেশন কার্যক্রম

শিশুর সার্বিক কল্যান সাধন

কর্মসূচি চলমান

০২

শিশু সুরক্ষায় ফোনকল- ১০৯৮ (টোল ফ্রি ২৪*)

শিশুর সার্বিক কল্যান সাধন

০৩

উপজেলা শিশুকল্যান বোর্ড

শিশুর সার্বিক কল্যান সাধন

১৮. উপজেলা সমাজকল্যান কমিটি

উপজেলা সমাজকল্যান কমিটি সমাজের পিছিয়ে পরা বা বিভিন্ন প্রাকৃতিক দূযোর্গ এবং বিভিন্ন প্রয়োজনে জীবনমান উন্নয়নমূলক কার্যক্রম উপজেলার কমিটির অনুমোদনের মাধ্যমে বিনা মূল্যে এ সেবাটি প্রদান হয়ে থাকে।

ক্রম

উপজেলার নাম

চলতি অর্থবছরে মোট ব্যয় ও উপকারভোগী

সেবা প্রদানের হার

উপকারভোগীর সংখ্যা

(জন)

অর্থের পরিমাণ

(টাকা)

০১

ভালুকা

৭৮৪

৯০০০০০/-

উপজেলা সমাজকল্যাণ পরিষদ এর কার্যক্রম সংক্রান্ত সকল কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন পালন হচ্ছে।

১৯. সামাজিক কার্যক্রম

সামাজিক বনায়ন, শিক্ষা, পরিবার পরিকল্পনা, স্বাস্থ্য সেবা, পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা, নিরাপদ পানি, স্বাস্থ্যসম্মত পায়খানা ব্যবহার, যৌতুক এবং বাল্য বিবাহ নিরোধ, কোটের আদেশে বিভিন্ন মামলার তদন্ত করন, শাক সবজি চাষে উৎসাহ প্রদান, সঞ্চয়ী মনোভাব বৃদ্ধি করা, হাস-মুরগী ও গবাদি পশু পালনে উৎসাহ দেয়া, টিকাদানে উৎসাহিত করা সহ বিভিন্ন সামাজিক ইস্যুতে সচেতনতা তৈরি করা সহ অন্যান্য রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালন।

২০. অনলাইন/-নথি কার্যক্রম

তারাকান্দা উপজেলায় একমাত্র আমরাই -নথি কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছিপেপারলেস অফিস হিসেবে উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয় তারাকান্দা ময়মনসিংহ কাজ করছে সকল চিঠিপত্র ডি-নথিতে নোট উত্থাপনসহ পত্র জারি করা হচ্ছেএছাড়াও web portal, e-directory এবং social media“র ব্যবহার/আপডেটকরণ প্রতিনিয়ত হচ্ছে।

২১. যোগাযোগ

উপজেলা সমাজসেবা অফিসারের কার্যালয়টি উপজেলা পরিষদ, ভালুকা, ময়মনসিংহে অবস্থিত। ভালুকা বাস ষ্ট্যান্ড থেকে রিক্সা যোগে বা পায়ে হেঁটে উপজলো সমাজসবো অফিসে আসা যায়।

ওয়েব সাইটঃ www.dss.bhaluka.mymensingh.gov.bd

ইমেইলঃ usso.bhaluka@dss.gov.bd

মোবাইলঃ ০১৭০৮৪১৫০০০

ফেসবুকঃউপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়, ভালুকা, ময়মনসিংহ। লিঙ্কঃ https://web.facebook.com/profile.php?id=100090849383221

----------------------------------------

ফাইল ১

ফাইল প্রিভিউ ওয়েব ব্রাউজারে সমর্থিত নয়

ফাইল ১

ডাউনলোড করুন

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন